গণেশচতুর্থীর উৎসবে লাল লেহঙ্গায় সেজেছিলেন দিশা পটানী। সোমবার শিল্পপতি মুকেশ অম্বানীর বাড়ির গণেশপুজোয় হাজির হয়েছিলেন অভিনেত্রী। উৎসবের আবহে তাঁর সাজ নজর কাড়লেও, পোশাকের চেয়ে বেশি আলোচনা শুরু হয়েছে তাঁর ডিপনেক ব্লাউজ় নিয়ে। সমাজমাধ্যমের একাংশের প্রশ্ন, গণেশপুজোর মতো অনুষ্ঠানে এমন পোশাক কি আদৌ মানানসই?
দিশার ছবি এবং ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে নানা জনের নানা মত। কেউ সরাসরি পোশাক নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন, কেউ আবার ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পোশাকের ক্ষেত্রে ‘শালীনতা’র প্রশ্ন তুলেছেন। এমনকি, কয়েক জনের বক্তব্য— পুজোর জায়গায় পোশাকেরও একটি নির্দিষ্ট নিয়ম থাকা উচিত।
তবে এই বিতর্কের মধ্যেই বার বার ফিরে এসেছে কৃতি সেননের প্রসঙ্গ। রাখিবন্ধন উপলক্ষে একটি বিজ্ঞাপনে কৃতির পোশাক ঘিরে সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে যে সমালোচনা হয়েছিল, তার সঙ্গে দিশার গণেশপুজোর সাজের তুলনা টেনেছেন দর্শকের আর এক অংশ। তাঁদের প্রশ্ন, একই ধরনের বিতর্কে দুই অভিনেত্রীর ক্ষেত্রে কি আলাদা মত ব্যবহার করা হচ্ছে?
কেউ লিখেছেন, “পুজোয় এমন পোশাক পরা নিয়ে আপত্তি থাকলে দিশার ক্ষেত্রে কেন একই রকম সমালোচনা হচ্ছে না?” আবার কারও বক্তব্য, রাখিবন্ধনের বিজ্ঞাপনে কৃতিকে যে ভাবে নিশানা করা হয়েছিল, সে ক্ষেত্রে দিশার পোশাক নিয়ে একই প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। এই সূত্রেই ‘দ্বিচারিতা’র অভিযোগ তুলেছেন অনেকে।
অবশ্য সমাজমাধ্যমে দিশার সাজের প্রশংসাও একেবারে নেই, এমন নয়। তবে নেতিবাচক মন্তব্যগুলিই আপাতত বেশি চোখে পড়ছে। কেউ কেউ আবার বিষয়টিকে ব্যক্তিগত পছন্দের জায়গা হিসাবেও দেখেছেন।
এখনও পর্যন্ত এই বিতর্ক নিয়ে দিশার কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ফলে গণেশপুজোর সাজ নিয়ে সমাজমাধ্যমে ওঠা প্রশ্নের জবাব অভিনেত্রী আদৌ দেবেন কি না, তা নিয়েই আপাতত কৌতূহলী অনুরাগীরা।
দিশার ছবি এবং ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে নানা জনের নানা মত। কেউ সরাসরি পোশাক নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন, কেউ আবার ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পোশাকের ক্ষেত্রে ‘শালীনতা’র প্রশ্ন তুলেছেন। এমনকি, কয়েক জনের বক্তব্য— পুজোর জায়গায় পোশাকেরও একটি নির্দিষ্ট নিয়ম থাকা উচিত।
তবে এই বিতর্কের মধ্যেই বার বার ফিরে এসেছে কৃতি সেননের প্রসঙ্গ। রাখিবন্ধন উপলক্ষে একটি বিজ্ঞাপনে কৃতির পোশাক ঘিরে সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে যে সমালোচনা হয়েছিল, তার সঙ্গে দিশার গণেশপুজোর সাজের তুলনা টেনেছেন দর্শকের আর এক অংশ। তাঁদের প্রশ্ন, একই ধরনের বিতর্কে দুই অভিনেত্রীর ক্ষেত্রে কি আলাদা মত ব্যবহার করা হচ্ছে?
কেউ লিখেছেন, “পুজোয় এমন পোশাক পরা নিয়ে আপত্তি থাকলে দিশার ক্ষেত্রে কেন একই রকম সমালোচনা হচ্ছে না?” আবার কারও বক্তব্য, রাখিবন্ধনের বিজ্ঞাপনে কৃতিকে যে ভাবে নিশানা করা হয়েছিল, সে ক্ষেত্রে দিশার পোশাক নিয়ে একই প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। এই সূত্রেই ‘দ্বিচারিতা’র অভিযোগ তুলেছেন অনেকে।
অবশ্য সমাজমাধ্যমে দিশার সাজের প্রশংসাও একেবারে নেই, এমন নয়। তবে নেতিবাচক মন্তব্যগুলিই আপাতত বেশি চোখে পড়ছে। কেউ কেউ আবার বিষয়টিকে ব্যক্তিগত পছন্দের জায়গা হিসাবেও দেখেছেন।
এখনও পর্যন্ত এই বিতর্ক নিয়ে দিশার কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ফলে গণেশপুজোর সাজ নিয়ে সমাজমাধ্যমে ওঠা প্রশ্নের জবাব অভিনেত্রী আদৌ দেবেন কি না, তা নিয়েই আপাতত কৌতূহলী অনুরাগীরা।
তামান্না হাবিব নিশু